এখন যারা বাংলাদেশ নিয়ন্ত্রণ করছে তারা ২০০৯ সালে বিডিআর হত্যাকান্ড ঘটিয়েছিলো

লেখক: নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ৮ মাস আগে

নিউজ ডেস্ক ::এখন যারা বাংলাদেশ নিয়ন্ত্রণ করছে তারা ২০০৯ সালে বিডিআর হত্যাকান্ড ঘটিয়েছিল এখন দেশে যা হয়েছে সেটা করার জন্যই। ২০০১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত বিএনপি-জামাত, সামরিক, আইএসআই, সিআইএ নেক্সাস যে নীল নকশা প্রনয়ণ করে, সেই নীল নকশাতেই চলছে দেশ। এই নীল নকশা উদ্ভাবন করেছিল ইহুদিরা যেটাকে আধুনিক করেছিল হিটলারের মেধাবী নাৎসী জার্মান গেস্টাপো অফিসারেরা। তারা উদ্ভাবক ইহুদিদের বিরুদ্ধেই ব্যবহার করেছিল ইহুদিদেরই উদ্ভাবিত অস্ত্র। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মিত্রপক্ষ আমেরিকারর গোপন সরকারী সংস্থাগুলো শত্রুপক্ষ নাৎসীদের সেই অস্ত্রকেই নিজেরা ব্যবহার করা শুরু করে যুদ্ধ না করে জয় করা নানা দেশে মিথ্যা তথ্য, নিয়ন্ত্রিত মিডিয়া এবং ভীতির রাজ্য কায়েম করে।

এগুলোই বর্তানে মার্কিন সামরিক বাহিনীর স্পেশাল অপারেশ ফোর্সেস এর সাই-অপস বা মনোজাগতিক অভিযান সমরাস্ত্র। মার্কিন রঙিন বিপ্লব ঘটা নানা দেশে এই একই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়েছে একই নীল নকশায়। আপনারা যেটাকে ছাত্র বিপ্লব, নোবেল শান্তি, হিজবুত, হিফাজত, ইসলামী মৌলবাদ, সেনাশাসন এইসব নানা উদ্যম ও উদ্যোগের কথা ভাবছেন, এগুলো সবই উপলক্ষ্য বা সুযোগ সন্ধানী বা ব্যবহৃত হচ্ছে সময়ের প্রয়োজনে। আসলে আপনারা পরাজিত হয়েছেন মার্কিন সেনাবাহিনীর অপ্রচলিত যুদ্ধে এবং হারিয়েছেন দেশের স্বাধীনতা। এতে আপনারা ব্যবহৃত হয়েছেন মিথ্যা তথ্য, নিয়ন্ত্রিত মিডিয়া এবং ভীতির রাজ্য কায়েমের মাধ্যমে একটি মন নিয়ন্ত্রণ মিশনে।

ভুলেও ভাববেন না ২০২৪ সালে বাংলাদেশে যা হয়েছে সেটা বিগত ১৫ বছরের আওয়ামী শাসনের ফল। আমি বলেছি এটা করার কথা ছিল ২০০৯ সালেই, যেটা তখন ভারত ঠেকিয়ে দিয়েছিল সেনা অনুপ্রবেশের ভয় দেখিয়ে। এই পরিকল্পনা চুড়ান্ত হয়েছিল ২০০৭-৮ সালে। ২০০৯ এর নির্বাচনে জামাত বিএনপি বা তৃতীয় শক্তি ক্ষমতায় এলে সেটা তখন থেকেই বাস্তবায়িত হত এখনকার মত সরকারীভাবে। সেটা না হয়ে বিপুল ভোটে আওয়ামী লীগ নির্বাচিত হওয়াতে তারা বিডিআর বিদ্রোহের খোলসে ৫৭ সামরিক কর্মকর্তা হত্যা করে জাকার্তা মেথডে গৃহযুদ্ধের প্রস্তুতি নেয়। সেটা বাঞ্চাল করে দেয় ভারত।

এই পরিকল্পনা ২০০৭-৮ সালে হলে গত ১৫ বছরের আওয়ামী শাসন বা শেখ হাসিনার সময়কার শাসন কিভাবে এর কারণ হয়? আসলে ২০০৯ সালে তারা ব্যর্থ হয়ে তাদের শক্তি বৃদ্ধির জন্য গোয়েবলসীয় পদ্ধতি প্রয়োগ করে গত ১৫ বছর ধরে। আপনারা যারা গত ১৫ বছর সরকারবিরোধী ছিলেন, আপনারা যদি রাষ্ট্রবিরোধী দলের সদস্য না হয়ে থাকেন, তাহলে আপনারা মার্কিন সামরিক বাহিনীর স্পেশাল অপারেশ ফোর্সেস এর সাই-অপস বা মনোজাগতিক অভিযান গোয়েবলসীয় মফিজ হয়েছেন।

গত এক বছরে তারা যেভাবে এগোতে চেয়েছিল, নানা প্রতিরোধ ও প্রতিবাদে সেটা বাধাগ্রস্থ হয়েছে। এখনও অনেক দেরি হয়ে যায়নি। এখনও যদি আমরা মার্কিন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ প্রতিবাদ জোরদার করি। তাহলে হয়ত আমরা ইরাক, সিরিয়া, আফগানিস্তানে পরিণত হবার ভবিষ্যত থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারি। এই দায় কিন্তু শুধু আওয়ামী লীগের নয়। নিশ্চয়ই এখন আজন্ম আওয়ামী বিরোধীরাও সেটা বোঝা শুরু করেছেন।