দিনপত্র ডেস্ক রিপোর্ট |
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বক্তব্যে তিনি জামায়াতের রাষ্ট্র পরিচালনার ধারণা তুলে ধরেছেন বলে দাবি করা হচ্ছে।
ওই বক্তব্যে শফিকুর রহমান বলেন,
“জামায়াতে ইসলামি ক্ষমতায় গেলে দেশ ইসলামী শরিয়াহভিত্তিতে পরিচালিত হবে। নারীরা পর্দা বা বোরকা ছাড়া বাইরে বের হলে সে ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
বক্তব্যটি প্রকাশ্যে আসার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, নারী অধিকারকর্মী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সমালোচকদের মতে, এ ধরনের বক্তব্য বাংলাদেশের সংবিধানে স্বীকৃত নাগরিক স্বাধীনতা ও নারীর ব্যক্তিগত অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ বলছেন, জামায়াতের শীর্ষ নেতৃত্বের এমন বক্তব্য দলটির রাষ্ট্রভাবনা ও সামাজিক নীতির বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা বিতর্ককে আরও সামনে নিয়ে এসেছে। তাদের মতে, ইসলামী শরিয়াহভিত্তিক শাসনব্যবস্থা বাস্তবায়নের প্রশ্নে দলটির অবস্থান স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।
অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের দাবি, এই বক্তব্যকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ইসলামী শাসনব্যবস্থা বলতে তারা নৈতিকতা, শালীনতা ও ন্যায়বিচারভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠাকে বোঝান, কোনো জোরপূর্বক দমনমূলক ব্যবস্থাকে নয়।
এ বিষয়ে শফিকুর রহমানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিস্তারিত ব্যাখ্যা পাওয়া না গেলেও, বক্তব্যটি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।