সিলেটে কিশোর গ্যাংয়ের উত্থান, বিএনপির শীর্ষ নেতাদের আশ্রয়ের অভিযোগ

লেখক: সুবির দে,
প্রকাশ: ২ মাস আগে

দিনপত্র ডেস্ক :: সিলেটে সাম্প্রতিক সময়ে কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন ঘটনায় আটক হওয়া অনেক তরুণের বয়স মাত্র ১৮–১৯ বছর, আর বেশিরভাগের বয়সই ২৫ বছরের নিচে। যে বয়সে একজন তরুণের স্বপ্ন থাকে পড়াশোনা করা, ক্যারিয়ার গড়া এবং পরিবারের পাশে দাঁড়ানো—সেই বয়সেই কেউ কেউ জড়িয়ে পড়ছে ডাকাতি, ছিনতাই, চুরি কিংবা কিশোর গ্যাংয়ের মতো অপরাধে।
প্রশ্ন উঠছে—এত অল্প বয়সে তারা কীভাবে এমন সাহস পায়?
কে তাদের পেছনে শক্তি জোগায়?
কারা তাদের ব্যবহার করছে নিজেদের স্বার্থে?
সমাজে প্রায়ই দেখা যায়, কিছু তরুণ অপরাধে জড়িয়ে পড়ার পর তাদের পেছনে থাকে তথাকথিত কিছু রাজনৈতিক অভিভাবক। এই আশ্রয়-প্রশ্রয় পেয়ে তারা নিজেদের প্রভাবশালী মনে করতে শুরু করে। অনেক সময় ছোটখাটো নেতা থেকে শুরু করে বড় বড় নেতাদের সাথে ছবি তুলে নিজেদের ক্ষমতার প্রদর্শনও করতে দেখা যায়।
সিলেটের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো নিয়েও বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। স্থানীয়ভাবে অভিযোগ উঠেছে, অপহরণকারীদের নেতা ফারদিন সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি কয়েস লোদীর অনুসারী ও কয়েস লোদীকে সরাসরি শেল্টার দিচ্ছেন সিলেট ১ আসনের এমপি বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ।
তবে সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো ঘটনার নিরপেক্ষ ও সঠিক তদন্ত। অপরাধী যে-ই হোক, সে যত প্রভাবশালী কারও ছত্রছায়াতেই থাকুক না কেন, তার বিরুদ্ধে আইনের আওতায় দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। নইলে মানুষ ধরে নেবে, অপরাধীদের পেছনে থাকা সেই অভিভাবকরাই তাদের প্রকৃত গডফাদার।
স্থানীয় সিলেটবাসী চায় সত্য সামনে আসুক, অপরাধীরা শাস্তি পাক, আর আমাদের তরুণ সমাজ ভুল পথে নয় শিক্ষা, সততা ও মানবিকতার পথে এগিয়ে যাক।